সহিংস ইউপি নির্বাচনে পিরোজপুরে ৬ জনসহ সারাদেশে নিহত ১১, বর্জন ও স্থগিতের হিড়িক

www.bangla News.BD








নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় এ পর্যন্ত ১১ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে পিরোজপুরের ধানিসাপায় পুলিশ ও বিজিবি’র গুলিতে মারা যায় ৬ জন। এছাড়া টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থীর সমর্থক ও পুলিশ-বিজিবি’র ত্রিমুখি সংঘর্ষে আরো মারা যায় ২ জন। আবার নেত্রকোনা জেলার খালিয়াঝুড়ি ইউনিয়নে আবু কাউসার নামে আরেকজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। তবে এই ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদিন দেশের বিভিন্ন জায়গায় অন্তত ৭ শতাধিক আহত হয়েছে। এ যেন এক দূরের তারা। মানুষ শত চেষ্টা করেও তার কাছে যেতে পারছে না। না অন্য কিছুর কথা নয়। বলছি ভোটের কথাই। এ ভোটের জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম করেছে বাংলাদেশের মানুষ। পাকিস্তানি বর্বর শাসকদের কাছ থেকে আমরা ৭০ এর নিরপেক্ষ নির্বাচন আদায় করে নিয়েছিলাম। যে নির্বাচনে জনগন বাংলাদেশের ‘স্বাধীনতা ঘোষণা’ করেছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ভোট কালিমামুক্ত ছিল না। জিয়া-এরশাদের জমানায় ‘হ্যা’ ‘না’ ভোটের মতো আজগুবি ভোটের সাক্ষী হয়েছে এ দেশের জনগন।

আরো কিছু বিচ্তারিত জানার জন্য কিলিক করুন www Bangla News.BD


বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদই সর্বপ্রথম বাংলাদেশের মানুষকে শান্তিপূর্ণ ভোট দেয়ার সুযোগ দিয়েছিলেন। ১৫ই ফেব্রুয়ারির গায়েবি ভোট বাদ দিলে ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনও মোটাদাগে অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল। ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি বাংলাদেশ আবার ফিরে যায় ভোটের কলঙ্কজনক অধ্যায়ে। শাসক নির্বাচনের জন্য কারও ভোটের প্রয়োজন হয়নি। যায় দিন ভালো যায়- বহু পুরনো বাংলা প্রবাদ। বাংলাদেশ এখন সে প্রবাদের যুগে বাস করছে। ৫ই জানুয়ারি নির্বাচনে প্রধান বিরোধী শক্তিগুলো অংশ নেয়নি। যে কারণে জবরদস্তির চিত্র পরিষ্কার ছিল না। ছিল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার জয় জয়কার। কিন্তু এরপরের স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে অংশ নিচ্ছে বিএনপি এবং অন্য দলগুলো। দলীয় প্রতীকে হওয়া এসব নির্বাচন এখন পরিণত হয়েছে জোর যার মুল্লুক তার টাইপের নির্বাচনে।

0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Flickr